সোমবার, 16 অক্টোবর 2017 23:01

তবুও স্বাধীনতা

লিখেছেন 
ভোট এবং নাম্বার দিনঃ
(1 জন ভোট দিয়েছেন)
	  	তবুও স্বাধীনতা

হে স্বাধীনতা 
তোমায় আনবো বলে যৌবনকে দিয়েছি বিসর্জন 
জীবন রেখেছি বাজি, রক্ত দিয়েছি লাশ হয়েছি
বিস্ফোরণের আগুনে জ্বলে তোমায় করেছি অর্জন 
তবু হে স্বাধীনতা আমার প্রিয়তমাকে বলেছি 
ফিরে আসব কিনা জানিনা, আমায় খুঁজো 
লাল বেনারসির ভাঁজে, কিন্তু শুনেছি তুমি হয়েছো বীরাঙ্গনা 
তুমি নরপশুদের সাথে লড়তে লড়তে নিঃশব্দ হয়েছো 
তবুও নিজের আত্মাকে করনি সমর্পন 
আমার কথা ভাবতে ভাবতে তোমার গর্ভে 
আমাদের সন্তানকে ভূমিষ্ঠ হতে দেয়নি ওরা
তবু নিজের আগুনে নিজে দগ্ধ হয়েছো সারাক্ষন 
স্বাধীনতা তবু তোমাকে করবো বলে অর্জন 
আকাশের তারা হয়ে দেখছি আজ পরাজিত শক্তির আস্ফালন 
ওরা গণহত্যার পসরা সাজিয়েছিল একাত্তরে যেমন
আজ জঙ্গিবাদের বীজ বপন করতে চায়
পরাজিত শক্তি আঁকতে চায় নীল নকশার দর্পন 
তাই হে স্বাধীনতা নুতন প্রজন্মকে কসম দিতে চাই
ওদের ক্রীতদাস হয়ে নয় ওদের সাথে লড়ার মতো 
গড়ার শক্তির অপেক্ষায় 
তোমাদের বলতে চায় ওরা নরাধম ওরা ধরাধাম 
কান পেতে শুনো বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী উচ্চারণের
সেই চিরচেনা চিরকালের বিপ্লবী মহান 
"এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম 
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম |"
রাজাকারের হয়েছে ফাঁসি 
আত্মস্বীকৃত খুনিদের হয়েছে ফাঁসি 
জেগেছে বাঙালি জেগেছে চাষী 
মায়ের ঐ প্রতীক্ষিত নিষ্পাপ মুখে শব্দহীন 
আমি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি আমি আমার 
স্বামীর বীভৎস লাশের বিচার নিয়ে এসেছি 
পেয়েছি বিচার মুখে ফুটেছে স্বপ্ন রাঙ্গা হাসি 
তবু আজও কেন বাজে পরাজিত অপশক্তির 
নিভৃত পদচারণা ওরা কেন পেট্রোল বোমা মেরে 
মানুষে রক্ত খেয়ে পোড়া মাটির খেলায় 
হতে চায় সর্বগ্রাসী 
আজ ওদের বিচার চাই
স্বাধীনতা হে স্বাধীনতা তোমার মধ্যে আমার 
আমার মধ্যে তোমার প্রজম্ম থেকে প্রজম্ম
তোমাদের বিকৃত ইতিহাস নয় 
সত্য ইতিহাসের মুখোমুখি করাবার 
গড়তে চাই এক দুর্ভেদ্য অধ্যায় 
জানি অপশক্তির পালাবার পথ নাই 
জাগ্রত বাঙালির স্বাধীনতা আছে থাকবে 
হয়ে অমরত্বের কাব্য গাথায় আর বাস্তবতায় |
© স্বত্ব সংরক্ষিত

137 বার পঠিত
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর এ দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে তিনি যেমন অবদান রেখে চলেছেন তেমনি সৃষ্টিশীল লেখার ক্ষেত্রেও তাঁর পদচারণা। তিনি মনে করেন বিজ্ঞান চর্চা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি একে অন্যের পরিপূরক। তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, গবেষক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, কবি, গীতিকার, নাট্যকার, সমাজ সংস্কারক ও সাংস্কৃতিক কর্মী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শনে বিশ্বাসী এই মানুষটির ছোটবেলা থেকেই লেখায় হাতেখড়ি। কৈশোর ও তারুণ্যে তিনি বাংলা একাডেমি, খেলাঘর, কঁচিকাচার মেলা সহ বিভিন্ন সংগঠনে কাজ করেছেন। এই সময় তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রকৌশল বিদ্যা অধ্যায়নের সময় তিনি প্রগতিশীল কর্মী হিসেবে কাজ করে সহিত চর্চা করে গেছেন। এ সময় তাঁর লেখাগুলো বিশ্ববিদালয়ের ম্যাগাজিনে এখনও সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও অনেকদিন ধরেই তিনি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লিখে চলেছেন। বাংলা ও ইংরেজি দুই সাহিত্যেই তাঁর সমান দক্ষতা রয়েছে। সমাজ, রাষ্ট্র, প্রকৃতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা, পরিবর্তন, সম্ভাবনা ও মানুষ তাঁর লেখার মূল উপজীব্য বিষয়। তিনি একজন ভাল বক্তা। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টক্ শো সহ বিভিন্ন সৃজনশীল অনুষ্ঠানে তাকে অতিথি হিসেবে দেখা যায়। ভারতরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী অজিত কুমার পাঁজা কলকাতা দূরদর্শনের একটি প্রতিযোগিতায় তাঁর প্রেরিত প্রবন্ধে মোহিত হয়ে নিজ হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সে সময় সম্প্রচারিত হয়। এই খবরটি আজকাল, সংবাদ, বাংলাবাজার সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়া তিনি ফিলিপিন্স, চীন, বি-টিভি সহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত হন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের একজন কর্মী হিসেবে তিনি কাজ করে চলেছেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী এর সাম্প্রতিক লেখা সমূহ

এই বিভাগে অনন্যা লেখাঃ « নীলাদ্রিমা থমকে যাক পৃথিবী »

2 টি মন্তব্য

মন্তব্য প্রদান করুন

(*) মন্তব্য প্রদান করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য. HTML code is not allowed.